জেনারেটরের সাইজ হিসাব: kVA, kW ও পাওয়ার ফ্যাক্টর
একসঙ্গে চলা লোডের kW যোগ করে 0.8 দিয়ে ভাগ দিলে kVA পাবেন। সবচেয়ে বড় মোটরের স্টার্ট দেখে হেডরুম যোগ করুন। চূড়ান্ত সেট সাপ্লায়ার নিশ্চিত করবে।
জেনারেটর ছোট হলে লোড পড়তেই ট্রিপ করে, আর অতিরিক্ত বড় হলে অকারণে জ্বালানি খায়। এখানে kVA ও kW-এর পার্থক্য, মোটরের স্টার্টিং লোড ধরে সাইজ বাছাই, প্রাইম ও স্ট্যান্ডবাই রেটিংয়ের তফাত এবং কখন সাইলেন্ট ক্যানোপি সেট লাগে তা বোঝানো হয়েছে। রাতের কাজের জন্য টাওয়ার লাইট এবং টুলস ও সাইটের কাজের জন্য এয়ার কম্প্রেসারও আছে। সাপ্লায়ারের সঙ্গে কথার আগে যা যা সংযোগ দেবেন তার পুরো তালিকা বানান, তারপর সাইজ বাছাইয়ের গাইড দিয়ে শুরু করুন।

একসঙ্গে চলা লোডের kW যোগ করে 0.8 দিয়ে ভাগ দিলে kVA পাবেন। সবচেয়ে বড় মোটরের স্টার্ট দেখে হেডরুম যোগ করুন। চূড়ান্ত সেট সাপ্লায়ার নিশ্চিত করবে।
একই জেনারেটর সেটের kVA স্ট্যান্ডবাইয়ে প্রাইমের চেয়ে বেশি লেখা হয়। আগে দেখুন দুই কোটেশনে রেটিং একই কি না, তারপর kVA মেলান।
আশপাশে মানুষ থাকলে বা সেট খোলা জায়গায় ধুলা-বৃষ্টিতে বসলে সাইলেন্ট (ক্যানোপি) জেনারেটর নিন। দূরের, ঘেরা ও ছাউনির নিচের সাইটে ওপেন সেট চলে।
ট্যাংকের ব্যবহারযোগ্য ডিজেলকে আপনার আসল লোডে ঘণ্টাপ্রতি খরচ দিয়ে ভাগ করুন, তারপর ট্যাংক বা ট্যাংকার বেছে রিজার্ভ রেখে তেল ভরুন।
মেইন বিদ্যুৎ গেলে কেউ সুইচ না ধরলেও জেনারেটর চালু করতে হলে এটিএস লাগে। একটি সেট ছোট হলে, বা একটি বিকল হলে বিকল্প চাইলে প্যারালাল ভাবুন।
আগে লোড, সাপ্লাইয়ের ধরন আর দৈনিক চলার ঘণ্টা ঠিক করুন। তারপর প্রতিটি সাপ্লায়ারকে রেটিং, জ্বালানি, সার্ভিস ও সংযোগের শর্ত লিখতে বলুন, যাতে কোটেশন মেলানো যায়।
টাওয়ার লাইট ঠিক করুন ক্যাটালগ দেখে নয়, সাইটের লেআউট দেখে: কাজের জোন ও বিপজ্জনক জায়গা চিহ্নিত করুন, প্রতিটি জায়গায় দুই দিক থেকে আলো ফেলুন, তারপর ল্যাম্প, পাওয়ার ও রানটাইম বেছে নিন।
প্রতিটি টুলের ডেটা প্লেট থেকে এয়ার ব্যবহার ও প্রেসার দেখুন, একসঙ্গে চলা টুলগুলোর যোগফলে মার্জিন যোগ করুন, তারপর কম্প্রেসারের ডেলিভারড এয়ারের সঙ্গে মেলান।